কমছে পর্যটক, আয় কমছে বিমান সংস্থার - বিডি বুলেটিন কমছে পর্যটক, আয় কমছে বিমান সংস্থার - বিডি বুলেটিন

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ০৭:০৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আগৈলঝাড়ায় ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে সরকারী চাল উদ্ধার করোনা ভাইরাসের কারনে আগৈলঝাড়ায় কর্মহীন দরিদ্রদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরন আগৈলঝাড়ায় ২শত ৫০ পরিবারের মাঝে নিত্যপন্য বিতরন আগৈলঝাড়ায় অনলাইন ‘২০২০’ পণ্য সংগ্রহের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে আগৈলঝাড়ায় দুঃস্থদের বাড়িবাড়ি গিয়ে নিত্যপন্য বিতরণ মির্জাগঞ্জে হতদরিদ্রের মাঝে চালডাল বিতরণ করেন মেহেদি হাসান অন্তর মহিপুরে অসহায় ও নি¤œ আয়ের মানুষের মাঝে কোষ্টগার্ডের খাদ্য সামগ্রী বিতরন কলাপাড়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে যৌণ হয়রানির অভিযোগে মামলা, নির্যাতনকারী গ্রেপ্তার সুবিধা বঞ্চিত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের বরিশাল মহানগর মহিলা মানবাধিকার কমিটি’র থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরন
কমছে পর্যটক, আয় কমছে বিমান সংস্থার

কমছে পর্যটক, আয় কমছে বিমান সংস্থার

অনলাইন ডেস্ক:
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো পর্যটক আকর্ষণে যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখনি করোনা ভাইরাসের প্রভাব পর্যটন খাতের আয়ে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। একই কারণে যাত্রী পরিবহন কমে যাওয়ায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক রুটে বিমান সংস্থাগুলোর আয়ও কমছে। এর প্রভাব থেকে মুক্ত হচ্ছে না বাংলাদেশও।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে পর্যটক সংখ্যা বাড়ছে। দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও ব্যাবসায়িক কারণেও বিদেশিদের আগমন বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবে যদিও দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় পর্যটকের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্ব ভ্রমণ ও পর্যটন কাউন্সিলের এক হিসেবে দেখা গেছে, বিগত সময়ে বাংলাদেশি পর্যটকরাও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ভ্রমণ বাড়িয়েছে।

করোনা ভাইরাসের ব্যাপ্তির কারণে ইতিমধ্যে চীনের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যও স্থবির হয়ে গেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য সম্পর্ক গভীর এবং চীন হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানতম আমদানিকারক দেশ। ব্যাবসায়িক কারণেও বহু বাংলাদেশি চীনে ভ্রমণ করে। একইভাবে চীন থেকেও বাংলাদেশ ভ্রমণের সংখ্যা অনেক বেশি। বিশেষত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে বহুসংখ্যক চীনা কর্মী রয়েছে। এছাড়াও পরামর্শকসহ নানা সেবাখাতে বিদেশিদের বাংলাদেশ ভ্রমণের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে করোনার কারণে। শুধু চীনই নয়, আশপাশের দেশগুলো বিশেষত আক্রান্ত দেশগুলোর সঙ্গে ব্যাবসায়িক যোগাযোগও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিমানবন্দরে কড়া স্বাস্থ্যপরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে-বিদেশি পর্যটক নিয়ে আসার উদ্যোগ আপাতত স্থগিতই বলা যায়। এ সময়ে কেউ কোনো দেশে খুব প্রয়োজন না হলে ভ্রমণ করবে না। ইতিমধ্যেই ঢাকায় আগত ফ্লাইটগুলোতে যাত্রী সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। যা বিমান সংস্থাগুলোর আয় কমার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখছে। ইতিমধ্যে টিকিট কনফার্ম করার পরও অনেক যাত্রী ভ্রমণ করছেন না।

ভ্রমণ ও পর্যটন বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ বিমানের সাবেক পরিচালক কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে শুধু বাংলাদেশই নয়, পুরো এশিয়া জুড়ে পর্যটকের সংখ্যা হ্রাস পাবে। এর একটি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। চীন ও অন্যান্য আক্রান্ত দেশগুলো পুরোপুরি ভাইরাস নির্মূল করতে না পারলে এশিয়ার পর্যটন খাত সহসা গতি পাবে না।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিশেয়ন অব বাংলাদেশ— টোয়াবের পরিচালক (ফাইন্যান্স) এবং ট্যুরিজম উইন্ডোর স্বত্বাধিকারী মনিরুজ্জামান মাসুম জানান, বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের তালিকায় না থাকা একটি ইতিবাচক দিক। কিন্তু সব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভীতি রয়েছে। ফলে, কেউ এ সময়ে ভ্রমণ পরিকল্পনা করছে না। বাংলাদেশ থেকেও বেশ কিছু গ্রুপ তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা বাতিল করেছে। এটি সংক্রামক হওয়ায় আতঙ্কটা বেশি। সে কারণেই ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে এর বিরূপ প্রভাবের শঙ্কাও বেশি। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের মতে, পর্যটক নিরাপত্তায় বাংলাদেশের অবস্থান সূচকের শেষ দিকে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায়ও বেশ পিছিয়ে। তদুপরি, বাংলাদেশে জঙ্গি হামলা, ট্রাভেল এলার্টের কারণে বিগত সময়ে পর্যটক আগমনের হার ছিল কম। অতি সাম্প্রতিককালে সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় পর্যটক আগমন বাড়লেও করোনা ভাইরাস আবারও এই খাতকে পিছনে ঠেলে দিচ্ছে।

 141 total views,  3 views today

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018