কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি - বিডি বুলেটিন কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি - বিডি বুলেটিন

রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি

কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই সামরিক অভিযান শুরু করবে তুরস্ক বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক ফোনালাপের পর এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

গত রবিবার হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক অভিযানে মার্কিন বাহিনীর কোনও সমর্থন বা সম্পৃক্ততা থাকবে না। ওই এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাসদস্যরা অবস্থান করবে না।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি স্টিফেন গ্রিশাম বলেন,‘‘গত দুই বছরে তুর্কি বিদ্রোহীদের হাতে আটক সব আইএস বন্দিদের সম্পূর্ণ দায়িত্ব তুরস্ক নিতে পারবে। এদের মধ্যে অন্তত চার হাজার নাগরিক বিদেশি।’’

এমন বিবৃতির পর সেখানে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি বিদ্রোহীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কারণ কুর্দি বিদ্রোহীদের নিয়ে বিবৃতিতে কোন মন্তব্য করা হয়নি। সেখানে কুর্দি বিদ্রোহীরা আইএসকে দমনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কিন্তু কুর্দি মিলিশিয়াদেরকে সন্ত্রাসী হিসেবে দাবি করে তুরস্ক। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের দাবি, কুর্দি বিদ্রোহীরা আসলে তুরস্কের ভেতর সক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী পিকেকে-র অংশ।

বিবিসির প্রতিরক্ষা প্রতিনিধি জোনাথান মারকাস এক বিশ্লেষণে বলেন, সিরিয়া থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হলে কুর্দি-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তুর্কি বিদ্রোহীদের ওপর আক্রমণ হলে তুরস্ককে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করে দেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইতোমধ্যেই সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে সিরিয়া সীমান্তে তুরস্কের সাজোঁয়া যান মোতায়েনের ছবি ও ভিডিও তুরস্কের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

কুর্দি বিদ্রোহীদের বেশির ভাগই দেশটির উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে বসবাস করে। কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সশস্ত্র শাখা ওয়াইপিজি ২০১২ সালে ইউফ্রেটিস নদীর পূর্ব পাড়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই আঙ্কারা অস্বস্তিতে রয়েছে। কারণ ১৯৮৪ সাল থেকে পিকেকে তুরস্কের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করছে। এই কারণে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

২০১৮ সালের শুরুতে অপারেশন ‘অলিভ ব্রাঞ্চ’ শিরোনামে কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বোমা বর্ষণও করেছিল তুরস্ক। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে তারা সেই অভিযান শিথিল করেছিল।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018