তজুমদ্দিন আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে খিচুড়িসহ খাবার বিতরণ - বিডি বুলেটিন তজুমদ্দিন আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে খিচুড়িসহ খাবার বিতরণ - বিডি বুলেটিন

সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০২:১৭ অপরাহ্ন

তজুমদ্দিন আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে খিচুড়িসহ খাবার বিতরণ

তজুমদ্দিন আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে খিচুড়িসহ খাবার বিতরণ

মোঃইলিয়াছ তজুমদ্দিন প্রতিনিধি।।
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে তজুমদ্দিন উপজেলায়ও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত চলছে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে দমকা হওয়া আর বৃষ্টি। বিদ্যুৎ নেই উপকূল উপজেলা গুলোতে। সক্রিয় হয়ে উঠেছেন স্থানীয় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজন। মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে উপজেলার গ্রামে গ্রামে মাইকিং চলছে। দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজনের পাশাপাশি তজুমদ্দিন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইউনিট বিভিন্ন এলাকায় লোকজনদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করছেন। পুলিশও রয়েছে সতর্ক অবস্থায়। এদিকে বুলবুল মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। উদ্ধার কাজে মজুত রয়েছে নৌবাহিনীরাও।
তবে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জানার পর সামান্য কিছু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে যাচ্ছেন। বেশির ভাগই অপেক্ষা করছেন, চরম পর্যায়ের জন্য।
শনিবার বিকেলে তজুমদ্দিন সংলগ্ন মেঘনা নদীতে দেখা যায়, প্রায় দুই শতাধিক মাছ ধরা ট্রলার সমুদ্র থেকে ফিরে এসেছে। ট্রলারে থাকা জেলেরা জানান, সাগরে প্রচুর মাছ ছিল। তারপরও প্রাণ বাঁচাতে চলে এসেছেন। তবে এখনও অনেক জেলে সাগরে রয়েছে। আসলে বঙ্গোপসাগর থেকে ইচ্ছে করলেই চলে আসা যায় না। আসতে অনেক সময় লাগে বলে জানান তারা।তজুমদ্দিন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির পরিচালক বলেন, ‘১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জানার পর থেকে আমরা এলাকায় মাইকিং করছি। যাতে মানুষ দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যায়।’তজুমদ্দিন স্টেশন ফায়ার সার্ভিস অফিসার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার জন্য আমাদের টিম বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করছে। এছাড়া উপজেলার স্টেশনে টিম প্রস্তুত রয়েছে।’উপজেলার নির্বাহী অফিসার আশ্রাফুল ইসলাম বলেন, তজুমদ্দিন প্রতিটি ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার লোকজন ও উপজেলা সকল কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক প্রস্তুত রয়েছেন।তজুমদ্দিন ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর সম্ভবনাময় থাকায় ঝুকিপূর্ণ এলাকার মানুষেরা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। আর আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষের মাঝে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশ্রাফুল ইসলামের পক্ষে খিচুড়ি বিতরণ করা হয়েছে।

এই সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশ্রাফুল ইসলাম সবাই কে সর্তক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং যতদিন আবহাওয়া অফিস ভালো খবর না দিবে ততদিন পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মানুষদের সরকারী ভাবে খাবার সামগ্রীসহ সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন দুলাল বলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018