পঞ্চগড়ে সেতুর নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব - বিডি বুলেটিন পঞ্চগড়ে সেতুর নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব - বিডি বুলেটিন

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কোস্টগার্ডের অভিযানে ৫শ কেজি জেলি পুশকৃত চিংড়ি জব্দ, চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মোংলার প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা নিজেই করোনায় আক্রান্ত! রায়ের একদিন পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি সৈয়দপুরে গ্রেপ্তার আগামী ৫ বছরে নতুন করে ১০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে: পলক প্রাণ ভিক্ষা চেয়েও পাননি, মা-বাবার সামনেই সন্তানকে পিটিয়ে হত্যা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত চরফ্যাশনে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের নারী-পুরুষ সহ আহত ৫ কুয়াকাটায় অপরাধ প্রবণতা নির্মূলে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা বাউফলে গ্রামীণফোনের মেশিন রুমের ২২ লাখ টাকার মালামাল চুরি সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক
পঞ্চগড়ে সেতুর নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব

পঞ্চগড়ে সেতুর নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব

Print Friendly, PDF & Email

পঞ্চগড় জেলা শহরের করতোয়া সেতুর নিচে শনিবার দুপুরে সন্তান প্রসব করেন এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। কোনো অস্ত্রপচার ও কারো সাহায্য ছাড়াই ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন।

সন্তান প্রসবের পর যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর নদীতে পাথর উত্তোলন করে আসা কয়েকজন তাকে দেখতে পান। পরে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন তারা। খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই নারী ও তার সন্তানকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পঞ্চগড় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী ওই নারী চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, প্রাথমিকভাবে ওই নারী নিজের নাম লিপি আকতার ও স্বামীর নাম মাঞ্জা মিয়া বলে জানান। তার স্বামীর বাড়ি পঞ্চগড় পৌরসভা এলাকায়। তার স্বামী মাঞ্জাও ভবঘুরে। দীর্ঘদিন ধরেই ওই নারী মানসিকভাবে অসুস্থ। ভরণ-পোষণের দায়িত্ব কেউ না নেয়ায় এক পর্যায়ে তিনিও ৪ বছরের এক কন্যা সন্তানসহ ভবঘুরে হয়ে পড়েন। সন্তানসহ শহরে ভিক্ষাবৃত্তি করে আসছেন তিনি। শহরের বকুলতলাসহ বিভিন্ন ধরনের দোকানপাটের সামনে থাকা শেডের নিচে রাত্রিযাপন করতেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, ওই নারী সেতুর নিচে সন্তান প্রসবের পর যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন। কিন্তু কেউ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সাহস পাচ্ছিলেন না। স্থানীয়রা বিষয়টি পুুলিশকে জানায়। পরে আমরা ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। প্রাথমিকভাবে তার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করছে পুলিশ।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ হোসেন বলেন, আমরা ওই নারীর স্বামী ও তার মাকে ডেকে এনেছি। চিকিৎসার পর ওই নারীকে তাদের হেফাজতেই রাখা হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

 138 total views,  1 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018