পঞ্চগড়ে সেতুর নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব - বিডি বুলেটিন পঞ্চগড়ে সেতুর নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব - বিডি বুলেটিন

শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:২৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সরকারের গ্যাস বিল বাকি ৯ হাজার কোটি টাকার বেশি ইউপি সদস্য হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি ২০ জানুয়ারি আসছে অক্সফোর্ডের ২০ লাখ টিকা আগৈলঝাড়ায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে আগৈলঝাড়ায় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন উজিরপুরে বামরাইল ও শোলক ইউনিয়নের সীমানা নিয়ে চরম উত্তেজনা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা গলাচিপায় তিন নারীর অসহায়ত্ব জীবন যাপন শোক সংবাদ দ্রুতগামীযান ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে: বিএমপি কমিশনার মেহেন্দিগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যু
পঞ্চগড়ে সেতুর নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব

পঞ্চগড়ে সেতুর নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব

পঞ্চগড় জেলা শহরের করতোয়া সেতুর নিচে শনিবার দুপুরে সন্তান প্রসব করেন এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। কোনো অস্ত্রপচার ও কারো সাহায্য ছাড়াই ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন।

সন্তান প্রসবের পর যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর নদীতে পাথর উত্তোলন করে আসা কয়েকজন তাকে দেখতে পান। পরে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন তারা। খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই নারী ও তার সন্তানকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পঞ্চগড় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী ওই নারী চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, প্রাথমিকভাবে ওই নারী নিজের নাম লিপি আকতার ও স্বামীর নাম মাঞ্জা মিয়া বলে জানান। তার স্বামীর বাড়ি পঞ্চগড় পৌরসভা এলাকায়। তার স্বামী মাঞ্জাও ভবঘুরে। দীর্ঘদিন ধরেই ওই নারী মানসিকভাবে অসুস্থ। ভরণ-পোষণের দায়িত্ব কেউ না নেয়ায় এক পর্যায়ে তিনিও ৪ বছরের এক কন্যা সন্তানসহ ভবঘুরে হয়ে পড়েন। সন্তানসহ শহরে ভিক্ষাবৃত্তি করে আসছেন তিনি। শহরের বকুলতলাসহ বিভিন্ন ধরনের দোকানপাটের সামনে থাকা শেডের নিচে রাত্রিযাপন করতেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, ওই নারী সেতুর নিচে সন্তান প্রসবের পর যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন। কিন্তু কেউ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সাহস পাচ্ছিলেন না। স্থানীয়রা বিষয়টি পুুলিশকে জানায়। পরে আমরা ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। প্রাথমিকভাবে তার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করছে পুলিশ।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ হোসেন বলেন, আমরা ওই নারীর স্বামী ও তার মাকে ডেকে এনেছি। চিকিৎসার পর ওই নারীকে তাদের হেফাজতেই রাখা হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

 208 total views,  2 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018