মোংলা শহরে যততত্র গাড়ি পার্কিং, ঘটছে দূর্ঘটনা, বাড়ছে দূর্ভোগ, দেখার কেউ নেই - বিডি বুলেটিন মোংলা শহরে যততত্র গাড়ি পার্কিং, ঘটছে দূর্ঘটনা, বাড়ছে দূর্ভোগ, দেখার কেউ নেই - বিডি বুলেটিন

বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২০, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন

মোংলা শহরে যততত্র গাড়ি পার্কিং, ঘটছে দূর্ঘটনা, বাড়ছে দূর্ভোগ, দেখার কেউ নেই

মোংলা শহরে যততত্র গাড়ি পার্কিং, ঘটছে দূর্ঘটনা, বাড়ছে দূর্ভোগ, দেখার কেউ নেই

Print Friendly, PDF & Email

মনির হোসেন,মোংলাঃ
প্রয়োজনের তুলনায় শহরে যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পড়েছে মোংলা পৌরসভা এলাকার বাসিন্দারা।
নিয়ম না মেনেই যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং করে রাখার কারনে জনসাধারনের চলাফেরায় প্রতিনিয়ত অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বিষয়টি তদারকি করার দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষের হাতে থাকলেও তারা কিছুই করছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌর শহরের চৌধুরীর মোড়, হাবিব টাওয়ার সংলগ্ন পাঁচ রাস্তার মোড়, শ্রমিক সংঘের মোড়, শাহাদাতের মোড়, বিএলএস রোডের বাংলাদেশ হোটেলের সামনে প্রতিদিন কয়েকশ যানবাহন সড়ক দখল করে পার্কিং করা থাকে। ফলে সরু রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে অনেক সময় দূর্ঘটনাও ঘটে। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এলাকা থেকে প্রায় ৬-৭ শতাধিক যানবাহন যেমন ইজিবাইক, মটরসাইকেল, ব্যাটারী চালিত ভ্যান, টমটম শহর এলাকায় প্রবেশ করে। অথচ এসব যানবাহন গুলো কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই মেইন সড়কের উপরে পার্কিং করে রাখা হয়। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য আলাদা জায়গা (স্ট্যান্ড) না থাকায় পৌর এলাকার সড়কগুলোর বেহাল দশা। কেউ যেন কোন নিয়মই মানছেন না আবার এ সমস্যা সমাধানে যারা দায়িত্ব পালন করবেন তারা যেন গভীর ঘুমে মগ্ন।
সন্ধ্যার পরে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সড়ক দিয়ে হাঁটতেও ভয় পান ৬৫ বছর বয়সী তাজমহলে রোডের বাসিন্দা আব্দুর রহিম। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করে বলেন, গ্রীষ্ম মৌসুমে পানি পাওয়া যায়না, রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায়না। আমরা ভ্যাট ট্যাক্স দিয়েও কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছিনা। চৌধুরীর মোড়ের ফল ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ শেখ জানান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে যততত্র গাড়ি রাখার কারনে আমাদের ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে। বার বার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহাত মান্নান বলেন, মোটর সাইকেল বা অন্যান্য যানবাহন নির্দিষ্ট স্থানে রাখার জন্য শহর এলাকায় আপাতত কোন জায়গা নেই। তবে সংশ্লিষ্ট সবার সাথে আলোচনা করে এ সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পৌরসভার মেয়র জুলফিকার আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

 402 total views,  1 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018