হচ্ছে না পেঁয়াজ বিক্রি হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা - বিডি বুলেটিন হচ্ছে না পেঁয়াজ বিক্রি হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা - বিডি বুলেটিন

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:১০ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার কমিশন বরিশাল মহানগর মহিলা শাখার উদ্যোগে নানা কর্মসূচী পালন আগৈলঝাড়ায় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি অবমাননা প্রধান শিক্ষকের অপসারন চেয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল, ইউএনও’র তদন্ত কমিটি গঠন আগৈলঝাড়ায় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালন আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সভাপতি ইউসুফ মোল্লার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ত্যাগী নেতাদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয়া হবে-আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড বার্ষিক ক্লোজিং প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ইসলামি বই মেলার শুভ উদ্ভোধন উদ্ধার হওয়া ৪০ হাজার ইয়াবা ধ্বংস করা হয়েছে সত্য- মিথ্যা যাচাই আগে ইন্টারনেটে শেয়ার পরে এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ভাণ্ডারিয়ায় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের র‌্যালী ছয় বছরে একদিনও ক্লাস করাননি শিক্ষিকা
হচ্ছে না পেঁয়াজ বিক্রি হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

হচ্ছে না পেঁয়াজ বিক্রি হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক:
সারাদেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ১৩ শতাংশই হয় রাজবাড়ীতে। কিন্তু এ বছর অতিবৃষ্টিতে বীজ নষ্ট ও ফলন কম হওয়াসহ বাজারে সরবারহ না থাকায় কমছে না পেঁয়াজের দাম।

এদিকে দাম বেশির কারণে পেঁয়াজ কম বিক্রি হওয়ায় লোকসানে পড়ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। আর ক্রেতারা বলছেন, বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির পরও কমছে না পেঁয়াজের দাম। যে কারণে তারা অল্প পরিমাণে পেঁয়াজ কিনছেন।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকালে রাজবাড়ী শহরের বড় বাজারে পুরাতন পেঁয়াজ (বড় ও ছোট) ১৯০ থেকে ২২০, ছাল পচা ১৫০ থেকে ১৬০ ও নতুন পেঁয়াজ ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এ সময় ক্রেতাদের আধা কেজি (৫০০ গ্রাম), সর্বোচ্চ ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতে দেখা যায়।

কৃষকরা জানান, এতোদিন বাজারে নতুন পেঁয়াজ উঠে যেত। কিন্তু বৃষ্টির কারণে রোপনে দেরি হওয়ায় উঠতেও দেরি হচ্ছে। তাই বাজারে নতুন পেঁয়াজ পুরোপুরি আসতে এখনো প্রায় ২০ থেকে ৩০ দিন সময় লাগবে। তখন হয়তো দাম কমবে।

ক্রেতারা বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমাদানি করা হচ্ছে। তারপরও দাম কমছে না, তাহলে সে পেঁয়াজ কোথায় যাচ্ছে? বাজার এভাবে থাকলে পেঁয়াজ খাওয়াই বন্ধ করে দিতে হবে। চাহিদা বেশি থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় কম পেঁয়াজ কিনছেন।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, রাজবাড়ীর বিভিন্নস্থান থেকে তারা পেঁয়াজ কিনে এনে ব্যবসা করেন। কিন্তু এখন বাজারে সরবারহ কম এবং নতুন পেঁয়াজও তেমন আসছে না। যে কারণে দামও কমছে না। আগে যেখানে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ মণ পেঁয়াজ বিক্রি করতেন, এখন দাম বেশি থাকায় সেখানে মাত্র ২০ থেকে ৩০ কেজি বিক্রি করতেও হিমশিম খাচ্ছেন।

তারা বলেন, সারা দিন বসে থাকতে হয়। ক্রেতারা এসে দাম শুনে ২৫০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম, সর্বোচ্চ ১ কেজি পেঁয়াজ কিনছেন। বাজার এভাবে থাকলে তাদের ব্যবসাই বন্ধ করে দিতে হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018