১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন, নেতাকর্মিদের প্রত্যাশা: হাবিবুর রহমান তুষার - বিডি বুলেটিন ১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন, নেতাকর্মিদের প্রত্যাশা: হাবিবুর রহমান তুষার - বিডি বুলেটিন

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন, নেতাকর্মিদের প্রত্যাশা: হাবিবুর রহমান তুষার

১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন, নেতাকর্মিদের প্রত্যাশা: হাবিবুর রহমান তুষার

নিজস্ব প্রতিবেদক//

১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আলোচনার শীর্ষে আশির দশক পরের শহর কমিটির ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও নব্বই দশক পরের যুবলীগের শহর কমিটির ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ছিলেন হাবিবুর রহমান তুষার।তখন থেকেই তিনি জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেন। ২০০৪ সালে গঠিত মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি।সেরনিয়াবাত পরিবারের সাথে রাজনীতি করায় ২০১৩ সালে ১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শীর্ষ পদে আলোচনার কেন্দ্রে থেকেও ছিটকে যান। এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটিতেও ঠাই পাননি তিনি।কমিটিতে স্থান না পেলেও সক্রিয় ভাবে রয়েছেন আওয়ামীলীগের সাথে।যে কোনো প্রাগ্রাম গুলোতেও নিয়মিত ছিলেন।এমন ভাবেই রাজনীতির পিছনে কেটেছে তার ৩৪ টি বছর।পাওয়া না পাওয়ার হিসাব করেন’নি কখনও।রাজনীতির করার কারনে পরিবারকেও সময় দিতে পারেননি।বিএনপি জোট সরকারের আমলে গোটা বটতলা এলাকায় হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে আওয়ামীলীগের পতাকা তলে থেকে রাজপদে রয়েছেন দিয়েছেন নেতৃত্ব।এ কারনে কয়েকবার জেল পর্যন্ত খেটেছেন।কথায় আছে দুখের পরে সুখ,এখন আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় তারপরও কোন সুযোগ সুবিধা গ্রহন করেনি তুষার।কষ্ট হলেও দলের সিন্ধান্তের বাহিরে কখন হাটেন নি তিনি।তাই আবারও আসন্ন ৯ নভেম্বর ২০১৯ সম্মেলনকে ঘিরে হাবিবুর রহমান তুষারকে শীর্ষ পদে দেখতে চান ১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতা কর্মিরা। অন্যদিকে,বিসিসি মেয়র মহোদয় সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ থেকে শুরু করে মহানগর আওয়ামীলীগের কাছে একটি পরিচিত নাম, সব সময় হাস্যউজ্জল, ভদ্র,বিনয়ী রাজনৈতিক অঙ্গনের সকলের প্রিয় মুখ হাবিবুর রহমান তুষার। তিনি কথা বলতে গিয়ে এই প্রতিবেদক জানান, এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিএনপি জামায়াত শাসন আমলে বহুবার জেল খেটেছি,অত্যাচার,নির্যাতন সহ্য করেছি। দক্ষিন অঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র অনুসারী হওয়ায় ২০১৩ সালের ১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কমিটিতে পদ বঞ্চিত হয়েছি,১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটিতে আমাকে সদস্য রাখাও হয়নি।তারপরও আমি পিছপা হইনি। এবার আমার নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ তিনি এই ওয়ার্ডের হাল ধরতে আমাকে যদি সুযোগ দেন। তাহলে একবার এই ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের পাশে থাকার ইচ্ছে আছে।এবং তিনি খোজ খবর নেয়াসহ যাচাই বাচাই করে দেখতে পারেন ওয়ার্ডে আমার কতটুকু জনপ্রিয়তা আছে। এর পরও আমার নেতা সাদিক আবদুল্লাহ যে সিন্ধান্ত দিবেন সেটাই হবে আমার সিন্ধান্ত।১৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের একাধিক নেতা কর্মিরা জানান,নতুন কমিটিতে কর্মি বান্ধাব নেতা চাই, সুখে দুখে সব সময় পাশে থাকবে, বিপদ আপদে এগিয়ে আসবে,এমন নেতৃত্ব আমরা চাই।তারা আরও অভিযোগ করে বলেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এর কথা আর কি বলবো সে তো ক্ষমতা পেয়ে নেতা কর্মিদের মুল্যায়নই করতো না।যখন যা মুখে আসছে তখন তা ব্যবহার করছে।ছোট বড় বয়স্ক বাবার বয়সী লোকদেরকে ও সে অপমান অপদস্থ করছে।এই সাধারন সসম্পাদক কালিবাড়ি তার ঘন ঘন আসা যাওয়ার কারনে তার দাপট আরও বেড়ে যায় কয়েক গুন।তার বিরুদ্ধে কোন কথা বললেই সে যুক্তি দেখিয়ে বলে মেয়র মহোদয় আমাকে ভালোবাসে আমি আগামীতে সভাপতি হবো কেউ আটকাতে পারবে না।তখন দেখে নিবো কে কে আমার বিরুদ্ধে কথা বলছে। তাদের আর পরের কমিটিতে জায়গা হবে না। এমন কথাও তার মুখ থেকে বেড়িয়ে আসছে বলে তারা জানান।এবং এই ধরনের ব্যক্তিদের বড় ধরনের দায়িত্ব না দেয়ার আহবান জানান তারা।এছাড়া খোজ নিয়ে জানা যায়, হাবিবুর রহমান তুষার ভদ্র, নম্র ও শিক্ষিত পরিবারের সন্তান।তার বাবা মা ছিলেন সরকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষক।তারা ১৫নং ওয়ার্ড স্হায়ী বাসিন্ধা।দুই ভাই,দুইবোনের মধ্যে তুষার মেজো।তুষারের স্কুল জীবন কেটেছে নুরিয়া সরকারী বিদ্যালয়। কলেজ জীবন কেটেছে সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে।আর তাই এবারের সম্মেলন উপলক্ষে তাকে নিয়ে আশার আলো দেখছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এবারে কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে তিনি পদ পেয়ে মূল্যায়ীত হবেন এমন প্রত্যাশা সবার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018