শনিবার, ২০ Jul ২০১৯, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
প্রচন্ড গরমে প্রশান্তি পেতে কীর্তখোলা নদীর পাড়ে মানুষের ঢল

প্রচন্ড গরমে প্রশান্তি পেতে কীর্তখোলা নদীর পাড়ে মানুষের ঢল

শহিদুল ইসলাম।।চলছে আষাঢ় মাস। তারপরও বরিশালে উত্তাপ ছড়াচ্ছে সূর্য। দিনভর ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে মানুষের। একটু নির্মল বাতাসে মানসিক প্রশান্তি পেতে সবাই নদীর পাড়ে ভিড় করছেন। বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে কীর্তখোলা নদীর তীরবর্তী ত্রিশ গোডাউন,মুক্তিযোদ্ধা পার্ক সহ আশে পাশের পাড়ে ।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫.৬ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। একটু শান্তি পেতেই তাই দলে দলে ছুটে যাচ্ছেন নদীর পাড়ে। সেখানে নানান পণ্যের পসড়া নিয়ে বসেছেন দোকানিরা।এসব দোকানের সামনেই বসছে তরুণ তরুণীদের আড্ডা। সন্ধ্যার পর থেকেই মানুষ ভ্যাপসা গরম থেকে বাঁচতে নদীপাড়ে বেড়াতে আসছেন৷ এতে ক্ষণিকের জন্য হলেও মনে প্রশান্তি ফিরছে। রাত পর্যন্ত এখানে চলছে গল্প আর আড্ডা। ফলে কিছুটা বিনোদনও মিলছে পরন্ত বিকালে কীর্তখোলা নদীর তীরে ।সদর রোড এলাকার বাসিন্দা প্রদিপ চন্দ্র দাস বলেন, সারাদিন যে গরম পড়ছে তাতে রাতে বাসায় থাকাই দায়। দিনের গরমে তাপের অনুভূতি থাকছে গভীর রাত পর্যন্ত। তাই বিকাল হলেই পেতে দল পরিবার সহ চলে আসেন তীরবর্তি মুক্তি যোদ্ধা পার্কে । আড্ডাও দেওয়া হয় আবার গরম থেকেও স্বস্তি মেলে।নদীর পাড়ের দোকানিরা জানান, শুধু বিকালে না এখন সারাদিনই মানুষ গরমের হাত থেকে বাঁচতে নদীর পাড়ে ভীড় জমাতে আসে। তবে বিকেল হলে এর চাপ বেড়ে যায়। গভীর রাত পর্যন্ত মানুষ থাকে। অথব তাদের ব্যবসাও বেড়েছে বলে জানান এই বিক্রেতা। এদিকে,দেখা তরুন তরুনীদের জন্মদিনের উৎসব ও এই নদীর তীর বেছে নেয়। গরমেও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। তাই রাত পর্যন্ত মানুষ যাতে একটু শান্তি খুঁজতে এসে ভোগান্তিতে না পড়েন সেই জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন এখানে ঘুরতে আসা মানুষগুলো।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018