শনিবার, ২০ Jul ২০১৯, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের প্রাণের আকুতি

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের প্রাণের আকুতি

বাহাউদ্দিন তালুকদার : আগামী ১৪ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই ৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে সারাদেশের ৬৪ জেলার সরকারি জেলা প্রধান জেলা প্রশাসকদের নিয়ে • ডিসি সম্মেলন ২০১৯.উক্ত সম্মেলনে স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ সচিবগণের প্রাণের আকুতি করেন আমার গ্রাম,আমার শহর রুপকার দেশরত্ন জাতীর জনকের কণ্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট। ইউনিয়ন পরিষদের একমাত্র সরকারি প্রতিনিধি ইউপি সচিব।অথচ ইউপি সচিবরা শতভাগ সরকারি নন।বেসরকারি ও নন।ইউপি সচিব পদটি কি সরকারি,না বেসরকারি,না স্বায়ত্বশাসিত না স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ও জানে না।নেই পেনশন,নেই ভবিষৎ তহবিলসহ চাকুরির নিশ্চয়তা।আছে শুধু কাজ আর কাজ।সরকারের এমন কোন মন্ত্রনালয়ের কাজ বাকি নাই যা ইউপি সচিরা করে না।ইউপি সচিবগন শাস্তি পায় সরকরি নিয়মে আর বেতনসহ অন্যন্য সু্বিধা পায় বেসরকারি নিয়মে।এ যেন এক আজব চাকুরি।চাকুরির শুরু থেকে এক পদ অবসরকালীন ও একই পদ, নেই পদোন্নতি, ব্লক পোস্ট।ইউপি সচিবগণ একজন নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল সেবা প্রদান করে থাকেন। ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল কমিটির সদস্য সচিবের ভূমিকা পালন করেন ইউপি সচিবরা।ইউপি সচিবদের নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে বি,এ পাশ।বর্তমানে ৯৫ ভাগ সচিব অর্নাস,মাস্টাস ডিগ্রীধারী।ইউপি সচিবদের থেকে কম শিক্ষাগত যোগ্যতাগণের বেতন গ্রেড সচিবদের চাইতে অনেক বেশী।যা তৃণমূলের মাঠ প্রশাসনে ইউপি সচিবদের মাঝে চরম চাপা ক্ষোভ ও অস্থিরতা বিরাজ করছে।অথচ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে তাদের থেকে সচিবদের অবদান অনেক বেশী।সরকারের আমার গ্রাম,আমার শহর বাস্তবায়নে ও ইউপি সচিবদের ভূমিকা থাকবে যথেষ্ট।ইউপি সচিবগণ তৃনমূল থেকে ঘরে ঘরে সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। এমতাবস্থায়,জেলা প্রশাসক সম্মেলনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীর জনকের কণ্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিকট ইউপি সচিবদের নিন্মলিখিত আকুতি পর্যায়ক্রমে সমস্যা পূরণের আশু পদক্ষেপ বিনতিভাবে কামনা করছি। ইউপি সচিবদের আকুতি সমূহঃ ১,ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের চাকুরি জাতীয়করণ করা হোক। ২,ব্লক পোস্ট বাতিল করে পদোন্নতির ব্যবস্থাসহ ১০ম গ্রেড উন্নয়ন করা। ৩,শতভাগ বেতন ভাতাদী সরকারি কোষাগার থেকে প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ। ৪,চাকুরির শেষে পেনশনের ব্যবস্থা করা। ৫,চাকুরিরত অবস্থায় কোন সচিব মারা গেলে অন্যন্য সরকারি চাকুরিজীবীদের ন্যায় যাবতীয় আর্থিক সুযোগ সুবিধা প্রদানসহ পোষ্যকোটা চালু। ৬,ভালো পারফরমেন্সের প্রতিদান স্বরুপ ইউপি সচিবদের বার্ষিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরুস্কার প্রদান। ৭,জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আদলে ইউপি সচিব সম্মেলন চালুর ব্যবস্থা করা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © bdbulletin.com 2018